যোগ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে জ্বালানি তেল আমদানি-বিক্রির সুযোগ দিতে নীতিমালা: জ্বালানিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / 2

কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়, বরং যোগ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির সুযোগ দিতে একটি সাধারণ নীতিমালা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
মঙ্গলবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন মন্ত্রী।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন কোনো নীতিমালা করা হলে তা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে হবে না। যোগ্য ও সক্ষম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে প্রতিযোগিতামূলকভাবে এ খাতে কাজ করার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যেই সাধারণ নীতিমালা করা হবে।
শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক বলেও জানান তিনি। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে কয়লাভিত্তিক নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের আগ্রহের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে দাতা দেশগুলোর আপত্তি রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার লক্ষ্য রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশি সময় লেগে যায়।
জ্বালানি খাতে অর্থসংকটের কথাও তুলে ধরেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অর্থের ঘাটতি রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সেমিনারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও বক্তব্য দেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি জানান, এলপিজির দাম স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন হলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে। ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার বাল্ক পরিমাণে এলপিজি আমদানির ব্যবস্থা করবে বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া ল্যান্ড-বেজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে জমি নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
























