ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশের মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ভারতীয় ভিসার নামে প্রতারণা, সতর্কবার্তা দিল ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ‘বাংলাদেশ একবারই স্বাধীন হয়েছে, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই’— ইশরাক হোসেন মৌসুমি বায়ু সক্রিয়, টানা পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ‘ভারতও চাপে, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের সময় এসেছে’— দাবি এনসিপির মুখপাত্র আসিফ সজীব ভুঁইয়ার ২ লাখ টনের বেশি কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দেশে এসেছে মাত্র ২৬.৫ মেট্রিক টন দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দরে একের পর এক বিস্ফোরণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা অনুমোদনহীন লিগে খেলায় সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর পিসিবি, হতে পারে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 8

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মারক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এই আন্দোলন জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যের প্রতীক।

রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) কৌশলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এ কৌশলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক পরিসরে পুনরায় তুলে ধরা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

আপডেট সময় : ০২:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মারক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এই আন্দোলন জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যের প্রতীক।

রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) কৌশলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এ কৌশলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক পরিসরে পুনরায় তুলে ধরা হয়।