ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনাময় খাত খুঁজতে হবে, হালাল ইকোসিস্টেম গড়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ভারতের তৈরি ১৯ এলএইচবি কোচের প্রথম রেক প্রস্তুত বিএলআরআইয়ের উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও গোটপক্স ভ্যাকসিন যাবে খামারি পর্যায়ে যোগ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে জ্বালানি তেল আমদানি-বিক্রির সুযোগ দিতে নীতিমালা: জ্বালানিমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান ইরানের হামলার আশঙ্কায় ট্রাম্পকে গোপনে বিমানে তুলল যুক্তরাষ্ট্র, এয়ার ফোর্স ওয়ান ছিল ‘ডেকয়’ জাতীয় দলের ফুটবলারদের ‘খেপ’ খেলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সালমান-শাবনূরের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন নীলা চৌধুরী

আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 5

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। এটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় আনতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য আবারও টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। বিষয়টি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি জানান, এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বুধবার দুপুরেও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। কোন সময়ে টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় সরকারের সরাসরি কিছু করার থাকে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং তখন গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

মধ্যমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং সরকারের একটি দলও সেখানে গেছে। দেশটির দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত একটি কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই সরকার কাজ করছে। তবে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট দিনক্ষণ দিয়ে বলা সম্ভব নয়। জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং এ প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি নেই।

এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, অতীতের সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক সমাধানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এর ফলে একপর্যায়ে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই এমন সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। এটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় আনতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য আবারও টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। বিষয়টি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি জানান, এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বুধবার দুপুরেও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। কোন সময়ে টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় সরকারের সরাসরি কিছু করার থাকে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং তখন গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

মধ্যমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং সরকারের একটি দলও সেখানে গেছে। দেশটির দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত একটি কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই সরকার কাজ করছে। তবে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট দিনক্ষণ দিয়ে বলা সম্ভব নয়। জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং এ প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি নেই।

এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, অতীতের সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক সমাধানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এর ফলে একপর্যায়ে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই এমন সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।