ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে অবরোধ থাকবে, হরমুজ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে: ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০৭:০১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
- / 2

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ইরানের অর্থনীতিকে “গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত” করছে এবং এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র “অগ্রগামী অবস্থানে” রয়েছে।
অস্থায়ী যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা নিয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত হয়নি। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে এবং নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এখনো ওয়াশিংটন ত্যাগ করেননি। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২৭টি জাহাজ হয় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, নয়তো ইরানি বন্দরে ফেরত পাঠানো হয়েছে। রোববার একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটি আটক করা হয় বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সতর্ক করার পর মার্কিন সেনারা জাহাজে ওঠে। ইরান এই ঘটনাকে “জলদস্যুতা” বলে আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় দুই মাস ধরে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা চলছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলছে এবং তেলের দামেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জে ডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। তবে ইরান এখনো প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
পাকিস্তান আশা করছে, দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব হবে এবং বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।






















