ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

অতিরিক্ত সম্পদ কি সত্যিই সুখ আনে? ধনীদের কিছু মানসিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 111

অনেকেই মনে করেন, যাঁদের প্রচুর অর্থসম্পদ আছে, তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই বেশি সুখী ও শান্তিতে থাকেন। টাকা থাকলে জীবন সহজ হয়—এমন ধারণা প্রচলিত হলেও বিভিন্ন গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অতিরিক্ত সম্পদ মানুষের চিন্তা, আচরণ এবং সামাজিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধনী মানুষ এক রকম না হলেও কিছু মানসিক প্রবণতা অতিধনীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো সহানুভূতির ঘাটতি। আর্থিকভাবে অনেক স্বচ্ছল মানুষ অনেক সময় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রাম থেকে দূরে থাকায় তাদের কষ্ট পুরোপুরি বুঝতে পারেন না।

আরেকটি প্রবণতা হলো নিজের অবস্থানকে অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা। সমাজে বিশেষ মর্যাদা পাওয়ার কারণে অনেকের মধ্যে অহংবোধ তৈরি হতে পারে, ফলে নিজের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

অতিরিক্ত সম্পদ থাকায় অনেক সময় ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতাও বেড়ে যায়। আর্থিক নিরাপত্তা থাকায় বড় সিদ্ধান্ত নিতে ভয় কম থাকে, ফলে অনেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।

গবেষণায় আরও বলা হয়, ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব তৈরি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণ মানুষের জীবনধারা থেকে দূরে সরে গিয়ে একই শ্রেণির মানুষের মধ্যেই বেশি সময় কাটানোর ফলে সমাজের অন্য অংশের সঙ্গে সংযোগ কমে যায়।

এছাড়া কিছু ধনী মানুষ একাকিত্ব ও সম্পর্কের অবিশ্বাসে ভোগেন বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। অনেক সময় তাঁরা মনে করেন, অন্যরা শুধু স্বার্থের জন্য তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন, যা মানসিক চাপ ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও মনে করিয়ে দেন, সব ধনী মানুষ একরকম নন। অনেকেই সমাজসেবায় যুক্ত থাকেন, সহানুভূতিশীল হন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অতিরিক্ত সম্পদ কি সত্যিই সুখ আনে? ধনীদের কিছু মানসিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

অনেকেই মনে করেন, যাঁদের প্রচুর অর্থসম্পদ আছে, তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই বেশি সুখী ও শান্তিতে থাকেন। টাকা থাকলে জীবন সহজ হয়—এমন ধারণা প্রচলিত হলেও বিভিন্ন গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অতিরিক্ত সম্পদ মানুষের চিন্তা, আচরণ এবং সামাজিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধনী মানুষ এক রকম না হলেও কিছু মানসিক প্রবণতা অতিধনীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো সহানুভূতির ঘাটতি। আর্থিকভাবে অনেক স্বচ্ছল মানুষ অনেক সময় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রাম থেকে দূরে থাকায় তাদের কষ্ট পুরোপুরি বুঝতে পারেন না।

আরেকটি প্রবণতা হলো নিজের অবস্থানকে অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা। সমাজে বিশেষ মর্যাদা পাওয়ার কারণে অনেকের মধ্যে অহংবোধ তৈরি হতে পারে, ফলে নিজের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

অতিরিক্ত সম্পদ থাকায় অনেক সময় ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতাও বেড়ে যায়। আর্থিক নিরাপত্তা থাকায় বড় সিদ্ধান্ত নিতে ভয় কম থাকে, ফলে অনেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।

গবেষণায় আরও বলা হয়, ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব তৈরি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণ মানুষের জীবনধারা থেকে দূরে সরে গিয়ে একই শ্রেণির মানুষের মধ্যেই বেশি সময় কাটানোর ফলে সমাজের অন্য অংশের সঙ্গে সংযোগ কমে যায়।

এছাড়া কিছু ধনী মানুষ একাকিত্ব ও সম্পর্কের অবিশ্বাসে ভোগেন বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। অনেক সময় তাঁরা মনে করেন, অন্যরা শুধু স্বার্থের জন্য তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন, যা মানসিক চাপ ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও মনে করিয়ে দেন, সব ধনী মানুষ একরকম নন। অনেকেই সমাজসেবায় যুক্ত থাকেন, সহানুভূতিশীল হন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখেন।