ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপে কমল স্বর্ণের দর, নজর ফেডের সুদের হার সিদ্ধান্তে লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, ২ নভেম্বরের মধ্যে জবাব চায় ফিফার ইউরোপীয় সংস্থা

রাজধানীর বাজারে মাছ-মাংস-ডিমের দাম অপরিবর্তিত, ২০০ টাকা কেজি শিম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 66

চলতি সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংস ও ডিমের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। আগের দরেই এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। তবে আগাম শীতকালীন সবজি শিমের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় উঠেছে। তুলনামূলক কম দামে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ অধিকাংশ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে শসার দাম কিছুটা কমে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। মানভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

মুরগির বাজারেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই স্থির রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। চারটি ডিমের দাম রাখা হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মাছের আকার এবং মাছ জীবিত না মৃত—এসব বিষয়েও দামের পার্থক্য হয়। এ কারণে একই মাছের দাম বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমবেশি হতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীর বাজারে মাছ-মাংস-ডিমের দাম অপরিবর্তিত, ২০০ টাকা কেজি শিম

আপডেট সময় : ০৫:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

চলতি সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংস ও ডিমের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। আগের দরেই এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। তবে আগাম শীতকালীন সবজি শিমের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় উঠেছে। তুলনামূলক কম দামে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ অধিকাংশ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে শসার দাম কিছুটা কমে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। মানভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

মুরগির বাজারেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই স্থির রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। চারটি ডিমের দাম রাখা হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মাছের আকার এবং মাছ জীবিত না মৃত—এসব বিষয়েও দামের পার্থক্য হয়। এ কারণে একই মাছের দাম বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমবেশি হতে পারে।