ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 78

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের একদল গ্রাহক। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকটির শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দায়ীদের বিচারেরও দাবি জানানো হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, ব্যাংক দখল, শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা না হলে ব্যাংকিং খাতে মানুষের আস্থা ফিরবে না।

বিক্ষোভকারীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, গ্রেফতার এবং বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দায়মুক্তি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তার দাবি, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত, মামলা ও গ্রেফতারের আইনগত সুযোগ রয়েছে।

সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের একদল গ্রাহক। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকটির শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দায়ীদের বিচারেরও দাবি জানানো হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, ব্যাংক দখল, শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা না হলে ব্যাংকিং খাতে মানুষের আস্থা ফিরবে না।

বিক্ষোভকারীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, গ্রেফতার এবং বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দায়মুক্তি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তার দাবি, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত, মামলা ও গ্রেফতারের আইনগত সুযোগ রয়েছে।

সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।