ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।