ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1

ভারতের ঝাড়খণ্ডে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট থেকে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, ইউনিটটি কিছুক্ষণ আগে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তবে পূর্ণ উৎপাদনে যেতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই রোববার ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে ঘণ্টায় এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এর আগে কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণেও গোড্ডা কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ঝড়ের কারণে গত ৭ আগস্ট থেকে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরে আগস্টের শেষ দিকে কয়লা সরবরাহ বাড়তে থাকলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদনও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।

আদানি কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার সময় দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থাও চাপের মধ্যে ছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় প্রায় ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। ওই দিন গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়।

বর্তমানে দেশে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের ঝাড়খণ্ডে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট থেকে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, ইউনিটটি কিছুক্ষণ আগে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তবে পূর্ণ উৎপাদনে যেতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই রোববার ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে ঘণ্টায় এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এর আগে কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণেও গোড্ডা কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ঝড়ের কারণে গত ৭ আগস্ট থেকে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরে আগস্টের শেষ দিকে কয়লা সরবরাহ বাড়তে থাকলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদনও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।

আদানি কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার সময় দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থাও চাপের মধ্যে ছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় প্রায় ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। ওই দিন গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়।

বর্তমানে দেশে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।