ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
দুর্গাপূজায় ইলিশ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ ভারতের আমদানিকারকদের বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে আসছে সামঞ্জস্য, শিক্ষা ব্যবস্থায় অভিন্ন মানদণ্ডের উদ্যোগ দেশে সারের সংকট নেই, মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী প্রভাব-প্রতিপত্তি না দেখে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দুদককে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ প্রবাসীদের পাসপোর্ট-এনআইডি সেবা আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ পদ্মায় দ্রুত বাড়ছে পানি, আগামী ১–২ দিনে চর ও নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা আশুলিয়ায় দম্পতি হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তির দাবি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থায় গতি বেড়েছে, প্রতিদিন লেনদেন ১২০ কোটি টাকা কিংদাওয়ে কার্গো জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।