বিশ্বকাপে দল কমানোয় আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ স্টিভ ওয়াহ
- আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 82

বিশ্বকাপের মঞ্চে যত বেশি দেশ অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে, ক্রিকেটের বৈশ্বিক বিস্তারও তত বেশি হবে বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ। তাই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ১৪ থেকে কমিয়ে ১২ করায় আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ১৯৯৯ বিশ্বকাপজয়ী এই অজি কিংবদন্তি। একই সঙ্গে নতুন বাছাইপর্বের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায়। শুরুতে ১৪ দল নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও পরে দলসংখ্যা কমিয়ে ১২ করা হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপের মূলপর্বে জায়গা পাবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে মোট ১০টি দল সরাসরি মূলপর্ব নিশ্চিত করবে।
বাকি দুটি দলকে বাছাইপর্বের মাধ্যমে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে হবে। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১১তম টিকিট। এরপর ১২ থেকে ১৪ নম্বরে থাকা দলগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের বিজয়ী দল নিশ্চিত করবে বিশ্বকাপের শেষ স্থান।
আইসিসির এই পরিকল্পনা মোটেও পছন্দ হয়নি স্টিভ ওয়াহর। দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্বকাপে দল কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার মতে, এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে ‘পেছনের দিকে চলার প্রক্রিয়া’।
ফুটবল বিশ্বকাপের উদাহরণ টেনে স্টিভ ওয়াহ বলেন, ফিফা যেখানে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করেছে, সেখানে ক্রিকেটে উল্টো দল কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ১৪ দল থেকে ১২ দলে নামিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ওয়াহর মতে, ক্রিকেটকে সত্যিকার অর্থে বৈশ্বিক খেলায় পরিণত করতে হলে সহযোগী ও উদীয়মান দেশগুলোকে বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে আরও বেশি সুযোগ দিতে হবে। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে এসব দেশের ক্রিকেটার ও দল নিজেদের মান আরও উন্নত করতে পারবে বলেও মনে করেন তিনি।
২০২৭ বিশ্বকাপের নতুন কাঠামো নিয়ে আপত্তি জানানোদের তালিকায় এবার যুক্ত হলেন স্টিভ ওয়াহ। এর আগে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেট বোর্ডও আইসিসির এই সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে হতাশা জানিয়েছিল।



























