ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে কত মুনাফা? জেনে নিন কারা কিনতে পারবেন ও কী কী সুবিধা মিলবে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 101

বাংলাদেশ সরকারের নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নির্ধারিত সময় পরপর মুনাফা পাওয়া যায়। পাশাপাশি মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থও উত্তোলনের সুযোগ থাকে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতাধীন এই সঞ্চয়পত্রটি ১৯৭৭ সালে চালু করা হয়। বর্তমানে নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বার্ষিক মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

কারা কিনতে পারবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে দেশের সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক বিনিয়োগ করতে পারবেন। এছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২) অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত তহবিলও এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবে।

সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য আবেদনকারীকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

কোথা থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র সংগ্রহ করা যাবে—

  • জেলা সঞ্চয় অফিস
  • জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
  • তফশিলি ব্যাংক
  • ডাকঘর

কী কী সুবিধা পাবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ।
  • পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে নির্ধারিত হারে মুনাফা ও মূলধন উত্তোলনের সুবিধা।
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তোলার কার্যকর মাধ্যম।
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ।
  • নমিনি মনোনয়নের সুবিধা। বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর পর নমিনি চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবেন।

সরকারি নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নির্দিষ্ট হারে নিশ্চিত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে জনপ্রিয় সঞ্চয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে কত মুনাফা? জেনে নিন কারা কিনতে পারবেন ও কী কী সুবিধা মিলবে

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নির্ধারিত সময় পরপর মুনাফা পাওয়া যায়। পাশাপাশি মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগকৃত অর্থও উত্তোলনের সুযোগ থাকে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতাধীন এই সঞ্চয়পত্রটি ১৯৭৭ সালে চালু করা হয়। বর্তমানে নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বার্ষিক মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

কারা কিনতে পারবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে দেশের সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক বিনিয়োগ করতে পারবেন। এছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২) অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত তহবিলও এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবে।

সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য আবেদনকারীকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

কোথা থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র সংগ্রহ করা যাবে—

  • জেলা সঞ্চয় অফিস
  • জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
  • তফশিলি ব্যাংক
  • ডাকঘর

কী কী সুবিধা পাবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ।
  • পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে নির্ধারিত হারে মুনাফা ও মূলধন উত্তোলনের সুবিধা।
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তোলার কার্যকর মাধ্যম।
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ।
  • নমিনি মনোনয়নের সুবিধা। বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর পর নমিনি চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারবেন।

সরকারি নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নির্দিষ্ট হারে নিশ্চিত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে জনপ্রিয় সঞ্চয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।