ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলায় স্বস্তি পেলেন অভিনেতা মুনিব বাট, তদন্তে মিলল না সম্পৃক্ততার প্রমাণ
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
- / 15

পাকিস্তানের আলোচিত অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলায় অভিনেতা মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। করাচির সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে তাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ হিসেবে উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্যান্য আসামি আদালতে উপস্থিত হলে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে কার্যক্রম মুলতবি করেন আদালত।
এর আগে পুলিশের বিশেষ ইউনিট ‘অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল’ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তাকে মামলায় নির্দোষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালত জানিয়েছেন, মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে তদন্ত প্রতিবেদনসহ অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার অভিযোগ, অভিযুক্তরা একজন ব্যক্তিকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে প্রায় ২৪ লাখ ৯৪ হাজার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেন। তবে এই অর্থের হিসাব কোন দেশের মুদ্রায় নির্ধারণ করা হয়েছে, তা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
মামলার শুরুতে অভিযোগ ছিল, মুনিব বাট মূল অভিযুক্তদের পাকিস্তানের মারি এলাকায় গোপনে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগের সমর্থনে কোনো শক্ত প্রমাণ না পাওয়ায় চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার এবং আব্দুল রেহমান চান্দিও এই মামলায় আদালতের দেওয়া জামিনে রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের তথ্যমতে, গত ২৩ এপ্রিল করাচির শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, জিম্মি করে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, লুটপাটের পর ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। মামলার পরবর্তী শুনানিতে সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে এ বিষয়ে আইনি কার্যক্রম আবারও শুরু হবে।


























