ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 67

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।