ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 171

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।