ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আইনি পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করতে পারে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তারেক রহমান চার মাসে রেমিট্যান্সে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, দেশে এলো ১১৬৮ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবার ডাক পেলেন রোনালদো-পুত্র সারা আলী খানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙার কারণ জানালেন ওরি মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী চারদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, জানাল পেট্রোবাংলা

গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 99

ইলিশের বাণিজ্যে এবার দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। এতদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়ে এলেও চলতি বছর উল্টো ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশের চালান আসছে। আবার যে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ইলিশ পাঠাচ্ছেন, তারাই এখন পদ্মা-মেঘনার ইলিশ নেওয়ার অনুমতি চাচ্ছেন। দুই দেশের বাজারে ইলিশের ভিন্ন চাহিদার কারণে এমন দ্বিমুখী বাণিজ্য তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে গুজরাট থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে এসেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। খবর টেলিগ্রাফের।

ভারতের ব্যবসায়ীরা জানান, বাংলাদেশে পাঠানো ইলিশের অধিকাংশই গুজরাট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে ভারুচ বন্দর দিয়ে এসব মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজারের মাধ্যমেও কিছু ইলিশ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়েছে।

হাওড়া পাইকারি মাছ আমদানিকারক সমিতির সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরাসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ পাঠানো হয়। তবে চলতি বছর ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়টি তাদের জন্য ব্যতিক্রম।

ব্যবসায়ীরা জানান, গুজরাটের ইলিশে তুলনামূলকভাবে ডিমের পরিমাণ বেশি এবং স্বাদ কিছুটা নোনতা। ফলে ভারতের স্থানীয় বাজারে এ মাছের চাহিদা তুলনামূলক কম। অন্যদিকে বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় গুজরাটের ইলিশের জন্য এখানে নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।

প্রতি বছর দুর্গাপূজা ও শারদীয় উৎসবকে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গত বছর শারদীয় উৎসবের আগে ভারতকে এক হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইলিশের বাণিজ্যে এবার দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। এতদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়ে এলেও চলতি বছর উল্টো ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশের চালান আসছে। আবার যে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ইলিশ পাঠাচ্ছেন, তারাই এখন পদ্মা-মেঘনার ইলিশ নেওয়ার অনুমতি চাচ্ছেন। দুই দেশের বাজারে ইলিশের ভিন্ন চাহিদার কারণে এমন দ্বিমুখী বাণিজ্য তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে গুজরাট থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে এসেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। খবর টেলিগ্রাফের।

ভারতের ব্যবসায়ীরা জানান, বাংলাদেশে পাঠানো ইলিশের অধিকাংশই গুজরাট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে ভারুচ বন্দর দিয়ে এসব মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজারের মাধ্যমেও কিছু ইলিশ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়েছে।

হাওড়া পাইকারি মাছ আমদানিকারক সমিতির সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরাসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ পাঠানো হয়। তবে চলতি বছর ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়টি তাদের জন্য ব্যতিক্রম।

ব্যবসায়ীরা জানান, গুজরাটের ইলিশে তুলনামূলকভাবে ডিমের পরিমাণ বেশি এবং স্বাদ কিছুটা নোনতা। ফলে ভারতের স্থানীয় বাজারে এ মাছের চাহিদা তুলনামূলক কম। অন্যদিকে বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় গুজরাটের ইলিশের জন্য এখানে নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।

প্রতি বছর দুর্গাপূজা ও শারদীয় উৎসবকে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গত বছর শারদীয় উৎসবের আগে ভারতকে এক হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।