হারলেও বিশ্বজয়ী কেপ ভার্দে, বিশ্বকাপে হৃদয় জিতেছে ছোট্ট দ্বীপদেশ
- আপডেট সময় : ০৭:২১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
- / 79

প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই নজর কেড়েছে আফ্রিকার ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দে। শিরোপা জিততে না পারলেও সাহসী ও লড়াকু ফুটবল উপহার দিয়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে দলটি।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই স্পেন ও উরুগুয়ের মতো বিশ্বকাপজয়ী দলের বিপক্ষে ড্র করে চমক দেখায় কেপ ভার্দে। এরপর সৌদি আরবের বিপক্ষেও সমতা এনে শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করে দলটি।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাউন্ড অব ৩২-এ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় কেপ ভার্দে। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে তারা প্রশংসা কুড়িয়েছে ফুটবলবিশ্বের।
ম্যাচ শেষে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার রবার্তো লোপেস বলেন, এই বিশ্বকাপ থেকে তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো—এখন আর কেউ প্রশ্ন করবে না, ‘কেপ ভার্দে কোথায়?’ তার ভাষায়, বিশ্বের মানচিত্রে নিজেদের পরিচিত করে তুলতে পারাটাই তাদের সবচেয়ে বড় ইতিহাস।
মাত্র পাঁচ লাখ মানুষের এই দ্বীপদেশ বিশ্বকাপ শুরুর আগে অনেকের কাছেই অপরিচিত ছিল। কিন্তু কয়েকটি ম্যাচেই সেই ধারণা বদলে দিয়েছে কেপ ভার্দে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও ভয় না পেয়ে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে দলটি। হারলেও কখনো আত্মসমর্পণ করেনি।
বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের সবচেয়ে বড় অর্জন হয়তো কোনো ট্রফি বা পদক নয়; বরং নিজেদের সামর্থ্য বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। তারা প্রমাণ করেছে, সুযোগ পেলে বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গেও সমানতালে লড়াই করা সম্ভব।
প্রথম বিশ্বকাপেই কেপ ভার্দে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেছে। নিজেদের লড়াকু মানসিকতা, আত্মবিশ্বাস এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে তারা বিশ্ব ফুটবলে নতুন এক পরিচয় তৈরি করেছে।



























