ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এখনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভী ‘ছাগল কাণ্ডে’ আলোচিত সাদিক এগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান গ্রেফতার, হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌর বিদ্যুতে জোর, প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা গ্যাস বিলে অনিয়মের মাধ্যমে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ইউনাইটেড গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের প্রাথমিক সত্যতা ‘৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে দেব না’—এমন ভাষা শেখ হাসিনাও ব্যবহার করতেন: মির্জা ফখরুল ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে কত মুনাফা? জেনে নিন কারা কিনতে পারবেন ও কী কী সুবিধা মিলবে জ্বালানির দাম বাড়তেই যুক্তরাজ্যে পেট্রোলপাম্পে চুরি বেড়েছে, প্রতিদিন উধাও ৩ কোটি টাকার বেশি জ্বালানি জর্জিনা রদ্রিগেজের হিব্রু ক্যাপশন ঘিরে তুমুল আলোচনা, প্রশ্নের মুখে রোনালদো পরিবার রামগোপাল ভার্মা-ঊর্মিলা কি গোপনে বিয়ে করেছিলেন? প্রবীণ সাংবাদিকের বিস্ফোরক দাবি

বাজেট আলোচনায় সময় বাড়ানোর আবেদন নয়, সংসদ সদস্যদের স্পিকারের কড়া নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / 15

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, হাতে সময় কম থাকায় বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুধু দুই দিন—শনিবার ও রোববার—চলবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে। তাই সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপদের নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বক্তব্যের সময় অতিরিক্ত সময় চেয়ে স্পিকারকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

স্পিকার আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে অসমাপ্ত বক্তব্য রেখে বসতে না হয়।

তিনি জানান, বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে শেষ করার স্বার্থে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও বক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান।

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।

পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, “সময় নাই।”

পরবর্তীতে আবার সময়ের আবেদন জানালে স্পিকার আগের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজেট আলোচনায় সময় বাড়ানোর আবেদন নয়, সংসদ সদস্যদের স্পিকারের কড়া নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, হাতে সময় কম থাকায় বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুধু দুই দিন—শনিবার ও রোববার—চলবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে। তাই সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপদের নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বক্তব্যের সময় অতিরিক্ত সময় চেয়ে স্পিকারকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

স্পিকার আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে অসমাপ্ত বক্তব্য রেখে বসতে না হয়।

তিনি জানান, বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে শেষ করার স্বার্থে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও বক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান।

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।

পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, “সময় নাই।”

পরবর্তীতে আবার সময়ের আবেদন জানালে স্পিকার আগের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”