ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আইনি পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করতে পারে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তারেক রহমান চার মাসে রেমিট্যান্সে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, দেশে এলো ১১৬৮ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবার ডাক পেলেন রোনালদো-পুত্র

বাজেট আলোচনায় সময় বাড়ানোর আবেদন নয়, সংসদ সদস্যদের স্পিকারের কড়া নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / 38

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, হাতে সময় কম থাকায় বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুধু দুই দিন—শনিবার ও রোববার—চলবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে। তাই সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপদের নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বক্তব্যের সময় অতিরিক্ত সময় চেয়ে স্পিকারকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

স্পিকার আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে অসমাপ্ত বক্তব্য রেখে বসতে না হয়।

তিনি জানান, বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে শেষ করার স্বার্থে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও বক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান।

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।

পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, “সময় নাই।”

পরবর্তীতে আবার সময়ের আবেদন জানালে স্পিকার আগের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজেট আলোচনায় সময় বাড়ানোর আবেদন নয়, সংসদ সদস্যদের স্পিকারের কড়া নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, হাতে সময় কম থাকায় বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুধু দুই দিন—শনিবার ও রোববার—চলবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে। তাই সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপদের নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বক্তব্যের সময় অতিরিক্ত সময় চেয়ে স্পিকারকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

স্পিকার আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে অসমাপ্ত বক্তব্য রেখে বসতে না হয়।

তিনি জানান, বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে শেষ করার স্বার্থে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও বক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান।

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।

পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, “সময় নাই।”

পরবর্তীতে আবার সময়ের আবেদন জানালে স্পিকার আগের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”