বাণিজ্য অর্থায়নে বড় শিথিলতা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
- আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / 217

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প খাতে অর্থায়ন সহজ করতে একক ঋণগ্রহীতা এবং বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার সংক্রান্ত নীতিমালায় নতুন শিথিলতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ একটি সার্কুলার জারি করেছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের অনুকূলে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের মোট পরিমাণ আগামী ৩০ জুন ২০২৮ পর্যন্ত ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বহাল থাকবে। আগে এ সীমা ছিল ১৫ শতাংশ।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন আরও সহজ করতে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে কনভার্সন ফ্যাক্টর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের মাত্র ২৫ শতাংশ হিসাবের মধ্যে ধরা হবে।
এছাড়া বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিও নির্ধারণের ক্ষেত্রেও মোট ঋণ ও অগ্রিমের সঙ্গে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ২৫ শতাংশ যুক্ত করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই শিথিলতা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর ধাপে ধাপে কনভার্সন ফ্যাক্টর বাড়ানো হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এটি ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের শেষে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের শেষে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আগের নিয়ম অনুযায়ী ৫০ শতাংশ কনভার্সন ফ্যাক্টর পুনরায় কার্যকর হবে।
একইসঙ্গে শ্রেণিকৃত ঋণের হার বিবেচনায় বৃহৎ ঋণ অনুমোদনের সীমাও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ মোট বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিওর ১০ শতাংশ বা তার কম হলে, সেই ব্যাংক মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণ অনুমোদন করতে পারবে।
তবে শ্রেণিকৃত ঋণের হার বাড়লে এ সীমা ধাপে ধাপে কমে সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশে নেমে আসবে। পাশাপাশি যেকোনো অবস্থায় ব্যাংকের মোট বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার মূলধনের ৬০০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।



























