ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে কূটনৈতিক দায়িত্বের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 39

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লির নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা চলছে, তাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কূটনৈতিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দীনেশ ত্রিবেদী বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ছাত্রজীবন থেকেই আন্তর্জাতিক পরিসরে পড়াশোনা এবং পরবর্তীতে সংসদীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং পরবর্তীতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। তিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

দিল্লির একটি সূত্রের দাবি, বর্তমান কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিকভাবে অভিজ্ঞ এবং রাজনৈতিকভাবে পরিণত ব্যক্তিকে সামনে আনার চিন্তা থেকেই এই ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার প্রেক্ষাপটে একজন বাঙালি মুখকে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে অতীতে সাধারণত কূটনৈতিক পদে পেশাদার বিদেশসেবা কর্মকর্তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু রাজনৈতিক অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও তা ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হয়।

বর্তমানে দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে যে আলোচনা চলছে, তা শুধুই জল্পনা। সরকারি পর্যায়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় বিষয়টি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখনো অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে কূটনৈতিক দায়িত্বের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা

আপডেট সময় : ০৪:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লির নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা চলছে, তাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কূটনৈতিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দীনেশ ত্রিবেদী বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ছাত্রজীবন থেকেই আন্তর্জাতিক পরিসরে পড়াশোনা এবং পরবর্তীতে সংসদীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং পরবর্তীতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। তিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

দিল্লির একটি সূত্রের দাবি, বর্তমান কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিকভাবে অভিজ্ঞ এবং রাজনৈতিকভাবে পরিণত ব্যক্তিকে সামনে আনার চিন্তা থেকেই এই ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার প্রেক্ষাপটে একজন বাঙালি মুখকে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে অতীতে সাধারণত কূটনৈতিক পদে পেশাদার বিদেশসেবা কর্মকর্তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু রাজনৈতিক অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও তা ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হয়।

বর্তমানে দীনেশ ত্রিবেদীকে ঘিরে যে আলোচনা চলছে, তা শুধুই জল্পনা। সরকারি পর্যায়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় বিষয়টি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখনো অপেক্ষা করতে হচ্ছে।