ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ভারতীয় ভিসার নামে প্রতারণা, সতর্কবার্তা দিল ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ‘বাংলাদেশ একবারই স্বাধীন হয়েছে, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই’— ইশরাক হোসেন মৌসুমি বায়ু সক্রিয়, টানা পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ‘ভারতও চাপে, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের সময় এসেছে’— দাবি এনসিপির মুখপাত্র আসিফ সজীব ভুঁইয়ার ২ লাখ টনের বেশি কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দেশে এসেছে মাত্র ২৬.৫ মেট্রিক টন দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দরে একের পর এক বিস্ফোরণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা অনুমোদনহীন লিগে খেলায় সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর পিসিবি, হতে পারে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা ইসরাইলপন্থী গান নিয়ে বিতর্ক: ‘জিসাস ক্রাইস্ট সুপারস্টার’ থেকে সরে দাঁড়ালেন বয় জর্জ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নিয়োগ: সেফটি অফিসার পদে আবেদন চলছে, থাকছে আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা ‘৩৬ জুলাই’: ক্যালেন্ডারে নেই, ইতিহাসে আছে—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতীকী বিজয়ের দিন

ভারতের অনুমোদন আটকে গেল, নেপাল থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 76

নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পরিবহনের অনুমোদন আটকে দিয়েছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে।

রোববার (১৪ জুন) নেপালের জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ভারতের সিইএ জানিয়েছে বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা নেই।

কর্মকর্তাদের মতে, এই জটিলতা কাটাতে নতুন করে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন বা নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। পাশাপাশি নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তও প্রয়োজন হবে।

এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জেএসসি বৈঠকে বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তিন দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলেও অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট নিয়ে নতুন করে সমঝোতা হয়নি।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডের (এনভিভিএন) মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নিলেও সঞ্চালন সক্ষমতার অভাবে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই বিদ্যুৎ ভারতীয় সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসে।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন যৌথ বৈঠকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তবে এখনো বৈঠকের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

নেপাল বর্তমানে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও জলবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৬.৪০ মার্কিন সেন্ট নির্ধারিত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের অনুমোদন আটকে গেল, নেপাল থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পরিবহনের অনুমোদন আটকে দিয়েছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে।

রোববার (১৪ জুন) নেপালের জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ভারতের সিইএ জানিয়েছে বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা নেই।

কর্মকর্তাদের মতে, এই জটিলতা কাটাতে নতুন করে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন বা নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। পাশাপাশি নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তও প্রয়োজন হবে।

এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জেএসসি বৈঠকে বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তিন দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলেও অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট নিয়ে নতুন করে সমঝোতা হয়নি।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডের (এনভিভিএন) মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নিলেও সঞ্চালন সক্ষমতার অভাবে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই বিদ্যুৎ ভারতীয় সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসে।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন যৌথ বৈঠকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তবে এখনো বৈঠকের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

নেপাল বর্তমানে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও জলবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৬.৪০ মার্কিন সেন্ট নির্ধারিত রয়েছে।