ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভারতের অনুমোদন আটকে গেল, নেপাল থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 141

নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পরিবহনের অনুমোদন আটকে দিয়েছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে।

রোববার (১৪ জুন) নেপালের জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ভারতের সিইএ জানিয়েছে বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা নেই।

কর্মকর্তাদের মতে, এই জটিলতা কাটাতে নতুন করে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন বা নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। পাশাপাশি নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তও প্রয়োজন হবে।

এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জেএসসি বৈঠকে বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তিন দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলেও অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট নিয়ে নতুন করে সমঝোতা হয়নি।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডের (এনভিভিএন) মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নিলেও সঞ্চালন সক্ষমতার অভাবে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই বিদ্যুৎ ভারতীয় সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসে।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন যৌথ বৈঠকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তবে এখনো বৈঠকের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

নেপাল বর্তমানে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও জলবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৬.৪০ মার্কিন সেন্ট নির্ধারিত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের অনুমোদন আটকে গেল, নেপাল থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পরিবহনের অনুমোদন আটকে দিয়েছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে।

রোববার (১৪ জুন) নেপালের জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ভারতের সিইএ জানিয়েছে বিদ্যমান সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা নেই।

কর্মকর্তাদের মতে, এই জটিলতা কাটাতে নতুন করে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন বা নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। পাশাপাশি নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তও প্রয়োজন হবে।

এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জেএসসি বৈঠকে বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তিন দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলেও অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট নিয়ে নতুন করে সমঝোতা হয়নি।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডের (এনভিভিএন) মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নিলেও সঞ্চালন সক্ষমতার অভাবে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই বিদ্যুৎ ভারতীয় সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসে।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন যৌথ বৈঠকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তবে এখনো বৈঠকের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

নেপাল বর্তমানে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও জলবিদ্যুৎ রপ্তানি করছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৬.৪০ মার্কিন সেন্ট নির্ধারিত রয়েছে।