ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন অভিযান, বাড়ছে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 164

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী একটি পতাকাবিহীন ট্যাঙ্কারে অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, ‘এম/টি ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের জাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিল এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। রাতভর সামুদ্রিক হস্তক্ষেপ ও তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, অবৈধ নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং ইরানকে সহায়তাকারী জাহাজগুলোকে চিহ্নিত ও আটক করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমা কোনো নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত পক্ষের জন্য নিরাপদ নয়।

জাহাজটিকে পতাকাবিহীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ এটি কোনো দেশের অধীনে নিবন্ধিত নয়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনে এ ধরনের জাহাজে তল্লাশি চালানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর ক্ষমতা বেশি থাকে।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া অবরোধ পরিস্থিতির পর সমুদ্রপথে নজরদারি ও অভিযান বেড়েছে। এর আগে ওমান উপসাগরে একটি ইরানি জাহাজ জব্দ এবং মালয়েশিয়া ও ভারতের নিকটবর্তী এলাকায় তিনটি বড় তেলবাহী জাহাজ আটক করার ঘটনাও ঘটে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। উভয় পক্ষই জাহাজ জব্দ ও অবরোধ অব্যাহত রেখেছে, ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন অভিযান, বাড়ছে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১২:০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী একটি পতাকাবিহীন ট্যাঙ্কারে অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, ‘এম/টি ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের জাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিল এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। রাতভর সামুদ্রিক হস্তক্ষেপ ও তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, অবৈধ নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং ইরানকে সহায়তাকারী জাহাজগুলোকে চিহ্নিত ও আটক করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমা কোনো নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত পক্ষের জন্য নিরাপদ নয়।

জাহাজটিকে পতাকাবিহীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ এটি কোনো দেশের অধীনে নিবন্ধিত নয়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনে এ ধরনের জাহাজে তল্লাশি চালানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর ক্ষমতা বেশি থাকে।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া অবরোধ পরিস্থিতির পর সমুদ্রপথে নজরদারি ও অভিযান বেড়েছে। এর আগে ওমান উপসাগরে একটি ইরানি জাহাজ জব্দ এবং মালয়েশিয়া ও ভারতের নিকটবর্তী এলাকায় তিনটি বড় তেলবাহী জাহাজ আটক করার ঘটনাও ঘটে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। উভয় পক্ষই জাহাজ জব্দ ও অবরোধ অব্যাহত রেখেছে, ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।