ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 118

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা, ১০০ ডলারের পথে ব্রেন্ট ক্রুড

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পালটা হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৯৭ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে ৯৪ দশমিক ৭৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ সেন্ট বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৯০ দশমিক ২৬ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি ওই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ দৈনিক পরিমাণ।

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রের মাইনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে পড়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাতার ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতেও এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।