ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: ভারতীয় হাইকমিশনার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 26

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠক ও আলোচনা হলে সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমাধানের পথ বের করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।’

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ থাকাটাই স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হয়।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য, বিতর্ক ও যুক্তি-তর্ক রয়েছে, যা স্বাভাবিক বিষয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা এবং তাদের লক্ষ্যও অভিন্ন।

তিনি আরও বলেন, ‘যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।’

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভারতের হাইকমিশনার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: ভারতীয় হাইকমিশনার

আপডেট সময় : ০৫:১৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠক ও আলোচনা হলে সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমাধানের পথ বের করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।’

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ থাকাটাই স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হয়।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য, বিতর্ক ও যুক্তি-তর্ক রয়েছে, যা স্বাভাবিক বিষয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা এবং তাদের লক্ষ্যও অভিন্ন।

তিনি আরও বলেন, ‘যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।’

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভারতের হাইকমিশনার।