ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন এমপি গাজী নজরুল, ‘ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির ষড়যন্ত্র’ দাবি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 132

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে লিখিত এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পিতভাবে তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার মগবাজারের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।

তার অভিযোগ, এ সময় গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ পরিকল্পিতভাবে ৬ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেন। পরে ওই ব্যক্তিরা কক্ষে ঢুকে তার ও পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানতে চেয়ে নানা ধরনের হেনস্তা করেন। পরবর্তীতে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন বলে দাবি করেন তিনি।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, পরে তিনি জানতে পারেন, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তার দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ পরিকল্পনা করা হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ এমপির কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, চাঁদার টাকা না পেয়ে কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিবৃতির শেষে তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সাজানো একটি ঘটনা। একই সঙ্গে ষড়যন্ত্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহসহ জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন এমপি গাজী নজরুল, ‘ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির ষড়যন্ত্র’ দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে লিখিত এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পিতভাবে তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার মগবাজারের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।

তার অভিযোগ, এ সময় গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ পরিকল্পিতভাবে ৬ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেন। পরে ওই ব্যক্তিরা কক্ষে ঢুকে তার ও পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানতে চেয়ে নানা ধরনের হেনস্তা করেন। পরবর্তীতে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন বলে দাবি করেন তিনি।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, পরে তিনি জানতে পারেন, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তার দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ পরিকল্পনা করা হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ এমপির কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, চাঁদার টাকা না পেয়ে কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিবৃতির শেষে তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সাজানো একটি ঘটনা। একই সঙ্গে ষড়যন্ত্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহসহ জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।