শিগগিরই উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, অপেক্ষা শুধু প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের
- আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
- / 13

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন এবং সুবিধাজনক সময়ের ভিত্তিতে খুব শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিকে আরও টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।
জাদুঘরের উদ্বোধনে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তবে স্থায়ী জনবল কাঠামো, অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ও বিধিমালা সংশোধনের কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ১৫ জুলাই থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৫ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৪ জুলাই মধ্যরাতের পর শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামা এবং ১৫ জুলাই বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো ১৬ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের পথকে আরও ত্বরান্বিত করেছিল। এসব ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।


























