ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশের মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ভারতীয় ভিসার নামে প্রতারণা, সতর্কবার্তা দিল ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ‘বাংলাদেশ একবারই স্বাধীন হয়েছে, জুলাই ছিল সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই’— ইশরাক হোসেন মৌসুমি বায়ু সক্রিয়, টানা পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ‘ভারতও চাপে, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের সময় এসেছে’— দাবি এনসিপির মুখপাত্র আসিফ সজীব ভুঁইয়ার ২ লাখ টনের বেশি কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দেশে এসেছে মাত্র ২৬.৫ মেট্রিক টন দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দরে একের পর এক বিস্ফোরণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা অনুমোদনহীন লিগে খেলায় সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর পিসিবি, হতে পারে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়, থাকছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 25

২০২৮ সাল থেকে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রমে ‘আনন্দময় শিক্ষা’, ‘খেলাধুলা’, ‘সংস্কৃতি’ এবং ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ নামে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, খেলাধুলার অংশ হিসেবে শুরুতে ফুটবল, দাবা এবং সম্ভাব্যভাবে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ধাপে ধাপে আরও বিভিন্ন খেলা যোগ করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ের আওতায় গান, আবৃত্তি, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন ও সাহিত্যচর্চার সুযোগ থাকবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষায় যুক্ত করার লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা। এ জন্য ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি স্কুলে কারিগরি ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বিষয়ে তিনি জানান, এটি শুধু একটি বিষয় নয়, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার একটি নতুন দর্শন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, মানবাধিকার, পরিবেশ সচেতনতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে ব্যবহারিক শিক্ষা পাবে।

সরকার জানিয়েছে, ২০২৭ সালে সীমিত আকারে কিছু নতুন উদ্যোগ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সেসব উদ্যোগের ফলাফল মূল্যায়নের পর ২০২৮ সালের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে।

নতুন বিষয়গুলো পড়ানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বাংলা ও ইংরেজির বাইরে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু করবে সরকার।

তবে নতুন যুক্ত হওয়া বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জিপিএ বা গ্রেড দেওয়া হবে না। মূল্যায়ন করা হবে কেবল ‘পাস’ বা ‘ফেল’ ভিত্তিতে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়, থাকছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা

আপডেট সময় : ০৪:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

২০২৮ সাল থেকে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রমে ‘আনন্দময় শিক্ষা’, ‘খেলাধুলা’, ‘সংস্কৃতি’ এবং ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ নামে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, খেলাধুলার অংশ হিসেবে শুরুতে ফুটবল, দাবা এবং সম্ভাব্যভাবে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ধাপে ধাপে আরও বিভিন্ন খেলা যোগ করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ের আওতায় গান, আবৃত্তি, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন ও সাহিত্যচর্চার সুযোগ থাকবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষায় যুক্ত করার লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা। এ জন্য ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি স্কুলে কারিগরি ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বিষয়ে তিনি জানান, এটি শুধু একটি বিষয় নয়, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার একটি নতুন দর্শন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, মানবাধিকার, পরিবেশ সচেতনতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে ব্যবহারিক শিক্ষা পাবে।

সরকার জানিয়েছে, ২০২৭ সালে সীমিত আকারে কিছু নতুন উদ্যোগ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সেসব উদ্যোগের ফলাফল মূল্যায়নের পর ২০২৮ সালের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে।

নতুন বিষয়গুলো পড়ানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বাংলা ও ইংরেজির বাইরে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু করবে সরকার।

তবে নতুন যুক্ত হওয়া বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জিপিএ বা গ্রেড দেওয়া হবে না। মূল্যায়ন করা হবে কেবল ‘পাস’ বা ‘ফেল’ ভিত্তিতে।