ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক, ঘোষণা বিআরটিএ সারাদেশে ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে সরকার, সুবিধা পাবেন ৪০ হাজার কৃষক হাসপাতাল বন্ধ, মেডিকেল কলেজ নয়: শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে প্র্যাকটিস করতে পারবে—স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশ, লাইসেন্স বাতিলের পর নতুন সিদ্ধান্ত দুদকের অনুসন্ধানের পর দেশ ছাড়েন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দুবাইয়ে গ্রেফতার ঘিরে নতুন আলোচনা দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন, ১৮ জুন থেকে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন নরসিংদীতে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিল সরকার শিক্ষা বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তিন বিষয়ে: ‘শিক্ষা, শিক্ষা ও শিক্ষা’—শিক্ষামন্ত্রী মণিরামপুরে জামায়াতের তিন নেতা পদ স্থগিত, মাটি বাণিজ্য ও সংঘর্ষের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংককে ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ সহায়তা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 10
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

রায়ের পাশাপাশি আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এই অর্থ ভিকটিমের আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।

রায় ঘোষণার জন্য সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এর আগে গত ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর আদালত ৭ জুন রায়ের দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, নিহত শিশু রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের কক্ষের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

রায়ের পাশাপাশি আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এই অর্থ ভিকটিমের আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।

রায় ঘোষণার জন্য সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এর আগে গত ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর আদালত ৭ জুন রায়ের দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, নিহত শিশু রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের কক্ষের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।