ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণে বড় উল্লম্ফন, ৩ মাসে বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় আনার ওপর জোর, ঘোষণা ফ্যামিলি ও ফার্মার্স কার্ড কুরবানির চামড়া পাচারের শঙ্কা নেই: ট্যানারিতে রেকর্ড পরিমাণ চামড়া পৌঁছেছে দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চাপে বাংলাদেশ অর্থনীতি, আইএমএফের কাছে নতুন সহায়তা চাইল সরকার ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদ: দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিমকে ঈদ শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের ট্যাক্স ব্যবস্থায় বড় সংকট: ৭২ লাখ টিআইএন হোল্ডার রিটার্নই দেন না—ড. খান জহিরুল ইসলাম ঈদের আগে সুখবর: আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে বড় লাফ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের বাংলাদেশ ব্যাংকে ২৬ জন আইটি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন চলবে ২১ জুন পর্যন্ত

সবজির বাজারে আগুন, নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 7
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছ ও গরুর মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে আগেই হিমশিম খেতে হচ্ছিল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে। এর মধ্যে নতুন করে সবজির দাম বাড়ায় সংসারের খরচ সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো, গাজর, ফুলকপি, আলু ও লাউয়ের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও যে টমেটো কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। ফুলকপির দামও বেড়ে শত টাকার নিচে নামছে না।

নিম্ন আয়ের মানুষের অন্যতম ভরসার সবজি আলুর দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। একইভাবে লাউয়ের দামও বেড়ে প্রতিটি ১০০ টাকায় উঠেছে।

তবে কিছু সবজিতে সামান্য স্বস্তি মিলেছে। লম্বা বেগুনের দাম কিছুটা কমে কেজিতে ১০০ টাকায় নেমেছে। মুলার দামও কমেছে। এছাড়া ঢেঁড়শ, করলা, চিচিঙ্গা, পটল ও পেঁপের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।

সবজির বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কিছুটা কমে এখন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগির দামও কমেছে। তবে অন্যদিকে লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে গেছে।

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের জন্য। বিভিন্ন ধরনের মাছ আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে চিংড়ি ও ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। আকার ও জাতভেদে ইলিশের দাম কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বাড়ছে না। ফলে অনেক পরিবার প্রয়োজনের তুলনায় কম বাজার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মৌসুম শেষ হওয়ায় অনেক সবজির সরবরাহ কমে গেছে, তাই দাম বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সবজির বাজারে আগুন, নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

আপডেট সময় : ০২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মাছ ও গরুর মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে আগেই হিমশিম খেতে হচ্ছিল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে। এর মধ্যে নতুন করে সবজির দাম বাড়ায় সংসারের খরচ সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো, গাজর, ফুলকপি, আলু ও লাউয়ের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও যে টমেটো কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। ফুলকপির দামও বেড়ে শত টাকার নিচে নামছে না।

নিম্ন আয়ের মানুষের অন্যতম ভরসার সবজি আলুর দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। একইভাবে লাউয়ের দামও বেড়ে প্রতিটি ১০০ টাকায় উঠেছে।

তবে কিছু সবজিতে সামান্য স্বস্তি মিলেছে। লম্বা বেগুনের দাম কিছুটা কমে কেজিতে ১০০ টাকায় নেমেছে। মুলার দামও কমেছে। এছাড়া ঢেঁড়শ, করলা, চিচিঙ্গা, পটল ও পেঁপের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।

সবজির বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কিছুটা কমে এখন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগির দামও কমেছে। তবে অন্যদিকে লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে গেছে।

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের জন্য। বিভিন্ন ধরনের মাছ আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে চিংড়ি ও ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। আকার ও জাতভেদে ইলিশের দাম কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বাড়ছে না। ফলে অনেক পরিবার প্রয়োজনের তুলনায় কম বাজার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মৌসুম শেষ হওয়ায় অনেক সবজির সরবরাহ কমে গেছে, তাই দাম বাড়ছে।