ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

ছয় দিন পর বড়পুকুরিয়ায় আবার বিদ্যুৎ, প্রথম ইউনিট চালুতে স্বস্তির আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 55

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ছয় দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটি চালুর জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে ইউনিটটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এই ইউনিট থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল ইউনিটটির বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র আরও জানায়, পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হয়। শুরুতে দুটি ১২৫ মেগাওয়াট ইউনিট দিয়ে উৎপাদন শুরু হয়। পরে ২০১৭ সালে আরও ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারেনি।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রধান প্রকৌশলী মোহসিনুল ফিরোজ জানান, বর্তমানে বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটের মেরামত কাজ চলছে। তৃতীয় ইউনিটের বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং মেরামতের দায়িত্বে থাকা বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আগামী ১৫ মের মধ্যে তৃতীয় ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে একাধিকবার যান্ত্রিক ত্রুটি ও বয়লারে পাথর ঢুকে যাওয়ার কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকায় দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছয় দিন পর বড়পুকুরিয়ায় আবার বিদ্যুৎ, প্রথম ইউনিট চালুতে স্বস্তির আশা

আপডেট সময় : ০৪:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ছয় দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটি চালুর জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে ইউনিটটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এই ইউনিট থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল ইউনিটটির বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র আরও জানায়, পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হয়। শুরুতে দুটি ১২৫ মেগাওয়াট ইউনিট দিয়ে উৎপাদন শুরু হয়। পরে ২০১৭ সালে আরও ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারেনি।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রধান প্রকৌশলী মোহসিনুল ফিরোজ জানান, বর্তমানে বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটের মেরামত কাজ চলছে। তৃতীয় ইউনিটের বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং মেরামতের দায়িত্বে থাকা বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আগামী ১৫ মের মধ্যে তৃতীয় ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে একাধিকবার যান্ত্রিক ত্রুটি ও বয়লারে পাথর ঢুকে যাওয়ার কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকায় দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।