ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

অভিবাসনের গল্পে নতুন মঞ্চ, দেশে প্রথম ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’ আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 67

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’। অভিবাসন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও গল্প তুলে ধরতে তরুণ নির্মাতা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আহ্বান করা হয়েছে। গত ১ এপ্রিল থেকে চলচ্চিত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনসহ যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করে নির্মিত কল্পকাহিনি, অ্যানিমেশন কিংবা প্রামাণ্যচিত্র—সব ধরনের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু হতে হবে অভিবাসন। প্রতিটি চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মিনিট।

বাংলাদেশে প্রবাসীদের সাফল্যের পাশাপাশি মানবপাচার, দালালের প্রতারণা, ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা, বিদেশে মৃত্যু, মানসিক আঘাত এবং পরিবারের দুর্ভোগের মতো বিষয়গুলোও এসব চলচ্চিত্রে উঠে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে সনি ডিএসএলআর ক্যামেরা ও লেন্স, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে থাকবে গোপ্রো সৃজনশীল কিট এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে একটি গোপ্রো ক্যামেরা। এছাড়া নির্বাচিত সব নির্মাতাকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হবে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উৎসবে নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চলচ্চিত্র বাছাই ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চলবে ২৬ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে উৎসবটি। এতে প্যানেল আলোচনা, নির্মাতাদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অংশগ্রহণকারীদের সহায়তার জন্য প্রথম ছয় সপ্তাহ প্রতি শনিবার অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কর্মশালায় গল্প নির্মাণ, পরিকল্পনা ও কারিগরি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগ্রহীরা নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন এবং বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ থেকে জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির আওতায় এই আয়োজন করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো অভিবাসনের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অভিবাসনের গল্পে নতুন মঞ্চ, দেশে প্রথম ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’ আয়োজন

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’। অভিবাসন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও গল্প তুলে ধরতে তরুণ নির্মাতা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আহ্বান করা হয়েছে। গত ১ এপ্রিল থেকে চলচ্চিত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনসহ যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করে নির্মিত কল্পকাহিনি, অ্যানিমেশন কিংবা প্রামাণ্যচিত্র—সব ধরনের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু হতে হবে অভিবাসন। প্রতিটি চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মিনিট।

বাংলাদেশে প্রবাসীদের সাফল্যের পাশাপাশি মানবপাচার, দালালের প্রতারণা, ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা, বিদেশে মৃত্যু, মানসিক আঘাত এবং পরিবারের দুর্ভোগের মতো বিষয়গুলোও এসব চলচ্চিত্রে উঠে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে সনি ডিএসএলআর ক্যামেরা ও লেন্স, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে থাকবে গোপ্রো সৃজনশীল কিট এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে একটি গোপ্রো ক্যামেরা। এছাড়া নির্বাচিত সব নির্মাতাকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হবে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উৎসবে নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চলচ্চিত্র বাছাই ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চলবে ২৬ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে উৎসবটি। এতে প্যানেল আলোচনা, নির্মাতাদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অংশগ্রহণকারীদের সহায়তার জন্য প্রথম ছয় সপ্তাহ প্রতি শনিবার অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কর্মশালায় গল্প নির্মাণ, পরিকল্পনা ও কারিগরি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগ্রহীরা নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন এবং বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ থেকে জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির আওতায় এই আয়োজন করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো অভিবাসনের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।