ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
পোশাক শ্রমিকদের দাবি ঘিরে রোববার গঠন হচ্ছে নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার: বাবার হত্যা মামলা, বন্ধুর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন এইচএসসি পাস করা সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে

চালুর ১৫ ঘণ্টার মাথায় আবার বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বয়লার বিস্ফোরণে বিপর্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 133

উৎপাদনে ফেরার মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বয়লারের টিউব বিস্ফোরিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটে পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত মেরামত কাজ শেষে ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। তবে চালুর অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও ত্রুটি দেখা দেয়।

কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা করার কাজ চলছে এবং মেরামত শেষে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই বন্ধ। ফলে বর্তমানে প্রথম ইউনিটটিই চালু ছিল, সেটিও নতুন করে বিকল হয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রটি অচল হয়ে গেছে।

২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর ভিত্তি করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে ওঠে। শুরুতে দুটি ইউনিটে মোট ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও পরে আরও একটি ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট ক্ষমতা দাঁড়ায় ৫২৫ মেগাওয়াট। তবে নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চালুর ১৫ ঘণ্টার মাথায় আবার বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বয়লার বিস্ফোরণে বিপর্যয়

আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

উৎপাদনে ফেরার মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বয়লারের টিউব বিস্ফোরিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটে পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত মেরামত কাজ শেষে ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। তবে চালুর অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও ত্রুটি দেখা দেয়।

কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা করার কাজ চলছে এবং মেরামত শেষে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই বন্ধ। ফলে বর্তমানে প্রথম ইউনিটটিই চালু ছিল, সেটিও নতুন করে বিকল হয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রটি অচল হয়ে গেছে।

২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর ভিত্তি করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে ওঠে। শুরুতে দুটি ইউনিটে মোট ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও পরে আরও একটি ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট ক্ষমতা দাঁড়ায় ৫২৫ মেগাওয়াট। তবে নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হয়নি।