ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

চালুর ১৫ ঘণ্টার মাথায় আবার বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বয়লার বিস্ফোরণে বিপর্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 74

উৎপাদনে ফেরার মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বয়লারের টিউব বিস্ফোরিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটে পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত মেরামত কাজ শেষে ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। তবে চালুর অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও ত্রুটি দেখা দেয়।

কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা করার কাজ চলছে এবং মেরামত শেষে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই বন্ধ। ফলে বর্তমানে প্রথম ইউনিটটিই চালু ছিল, সেটিও নতুন করে বিকল হয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রটি অচল হয়ে গেছে।

২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর ভিত্তি করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে ওঠে। শুরুতে দুটি ইউনিটে মোট ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও পরে আরও একটি ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট ক্ষমতা দাঁড়ায় ৫২৫ মেগাওয়াট। তবে নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চালুর ১৫ ঘণ্টার মাথায় আবার বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বয়লার বিস্ফোরণে বিপর্যয়

আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

উৎপাদনে ফেরার মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বয়লারের টিউব বিস্ফোরিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বয়লারের পাইপ ফেটে যাওয়ায় বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটে পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত মেরামত কাজ শেষে ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। তবে চালুর অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও ত্রুটি দেখা দেয়।

কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা করার কাজ চলছে এবং মেরামত শেষে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই বন্ধ। ফলে বর্তমানে প্রথম ইউনিটটিই চালু ছিল, সেটিও নতুন করে বিকল হয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রটি অচল হয়ে গেছে।

২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ওপর ভিত্তি করে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে ওঠে। শুরুতে দুটি ইউনিটে মোট ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও পরে আরও একটি ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট ক্ষমতা দাঁড়ায় ৫২৫ মেগাওয়াট। তবে নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন সম্ভব হয়নি।