ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র মজুদে টান, নতুন সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 94

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক মাসব্যাপী যুদ্ধে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের ফলে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে দেখা গেছে—এ সময়ে আবার কোনো বড় যুদ্ধে জড়ালে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘাত শুরু হলে স্বল্পমেয়াদে গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাত সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রায় ৪৫ শতাংশ স্ট্রাইক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এছাড়া THAAD প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তত অর্ধেক এবং Patriot missile system-এর প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর বিশ্লেষণেও একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান মজুদ পূরণ করতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লাগতে পারে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই সময়ে মোকাবিলার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় ও স্থানে অভিযান চালানোর সক্ষমতা এখনো মার্কিন বাহিনীর রয়েছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো অস্ত্র সংকটে ভুগছে না। যদিও বিশ্লেষণ বলছে, টমাহকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় মজুদ করতে কয়েক বছর সময় লাগবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অস্ত্র মজুদের ওপর চাপ পড়েছে, যা ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র মজুদে টান, নতুন সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক মাসব্যাপী যুদ্ধে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের ফলে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে দেখা গেছে—এ সময়ে আবার কোনো বড় যুদ্ধে জড়ালে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘাত শুরু হলে স্বল্পমেয়াদে গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাত সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রায় ৪৫ শতাংশ স্ট্রাইক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এছাড়া THAAD প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তত অর্ধেক এবং Patriot missile system-এর প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর বিশ্লেষণেও একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান মজুদ পূরণ করতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লাগতে পারে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই সময়ে মোকাবিলার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় ও স্থানে অভিযান চালানোর সক্ষমতা এখনো মার্কিন বাহিনীর রয়েছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো অস্ত্র সংকটে ভুগছে না। যদিও বিশ্লেষণ বলছে, টমাহকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় মজুদ করতে কয়েক বছর সময় লাগবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অস্ত্র মজুদের ওপর চাপ পড়েছে, যা ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।