ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল

রিফাতুজ্জামান প্রিন্স
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 30

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনের তফসিল আগামী ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত দলের আসন সংখ্যার অনুপাতে বণ্টন করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি পেতে পারে ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেতে পারেন একটি আসন।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী ৩০০ সংসদ সদস্যই এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অংশ নেন। প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সংসদ সচিবালয় শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠায়। এরপর দলগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের অবস্থান জানাতে হয় এবং কমিশন দলভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে।

দলগুলো তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। কোনো দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে সাধারণত তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকা থাকে না। তারা দল বা জোটের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মতোই বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। তবে তারা সাধারণত নির্দিষ্ট এলাকা নয়, বরং এক বা একাধিক জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পান।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন ৩০০টি সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী আসন নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে লটারির মাধ্যমেও আসন বণ্টনের বিধান রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনের তফসিল আগামী ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত দলের আসন সংখ্যার অনুপাতে বণ্টন করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি পেতে পারে ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেতে পারেন একটি আসন।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী ৩০০ সংসদ সদস্যই এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অংশ নেন। প্রতি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সংসদ সচিবালয় শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠায়। এরপর দলগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের অবস্থান জানাতে হয় এবং কমিশন দলভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে।

দলগুলো তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। কোনো দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে সাধারণত তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকা থাকে না। তারা দল বা জোটের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মতোই বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। তবে তারা সাধারণত নির্দিষ্ট এলাকা নয়, বরং এক বা একাধিক জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পান।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন ৩০০টি সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী আসন নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে লটারির মাধ্যমেও আসন বণ্টনের বিধান রয়েছে।