ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, নভেম্বরে তফসিলের সম্ভাবনা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 68

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ সময় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভোটের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সে হিসেবে আগামী নভেম্বরে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পাবলিক পরীক্ষা বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে যাতে নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সে বিষয়টি বিবেচনা করছে কমিশন। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে না। আশা করা হচ্ছে, জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর আগে সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এর পাশাপাশি বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়েই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ পেছায়নি বলেও জানান ইসি আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাস্তবতা, আইন ও সংবিধানের বিষয়গুলো বিবেচনা করেই কমিশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কাজ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। কমিশন কখনো কারও চাপে পড়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাস্তবতা, আইন ও সংবিধান মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই নির্বাচন আয়োজনের সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একসঙ্গে ভোট আয়োজনের বিষয়টিও সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন।

তফসিলের বিষয়ে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কোনো তারিখকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যায় না। আগামী জানুয়ারিতে ভোট আয়োজন করা হলে তার প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সে হিসেবে নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

নির্বাচনের বিদ্যমান আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের মতামত দিয়েছে। এখন সরকার ও সংসদ বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিবেচনা করবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, নভেম্বরে তফসিলের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৫:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ সময় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভোটের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সে হিসেবে আগামী নভেম্বরে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পাবলিক পরীক্ষা বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে যাতে নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সে বিষয়টি বিবেচনা করছে কমিশন। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে না। আশা করা হচ্ছে, জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর আগে সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এর পাশাপাশি বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়েই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ পেছায়নি বলেও জানান ইসি আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাস্তবতা, আইন ও সংবিধানের বিষয়গুলো বিবেচনা করেই কমিশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কাজ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। কমিশন কখনো কারও চাপে পড়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাস্তবতা, আইন ও সংবিধান মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই নির্বাচন আয়োজনের সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একসঙ্গে ভোট আয়োজনের বিষয়টিও সম্ভব বলে মনে করছে কমিশন।

তফসিলের বিষয়ে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কোনো তারিখকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যায় না। আগামী জানুয়ারিতে ভোট আয়োজন করা হলে তার প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সে হিসেবে নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

নির্বাচনের বিদ্যমান আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের মতামত দিয়েছে। এখন সরকার ও সংসদ বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিবেচনা করবে।