ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্সে অনলাইন আবেদন শুরু, ১৬তম ব্যাচের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / 81

বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে অনলাইন আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে সরকারের বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড। এ লক্ষ্যে ১৬তম ব্যাচের বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্সের জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের কার্যালয়ের অধীন বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্স পেতে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কোনো ধরনের ম্যানুয়াল বা সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের মাধ্যমে হয়রানি কমানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আবেদনকারীদের প্রথমে অনলাইন পোর্টালে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি (OTP) যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা হবে। এরপর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো—

  • বৈধ ট্রেড লাইসেন্সের অনুলিপি
  • ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) সনদ
  • করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ
  • মালিক বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জাতীয় পরিচয়পত্র
  • লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈদ্যুতিক সুপারভাইজারের সম্মতিপত্র
  • প্রয়োজনীয় পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রমাণপত্র

আবেদনকারীদের ছবি, স্বাক্ষর এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। আবেদনপত্রে দেওয়া সব তথ্য সঠিক বলে ঘোষণা দিয়ে তা সংরক্ষণ ও জমা দিতে হবে।

লাইসেন্স ফি বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক অথবা ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর ট্রেজারি চালানের তথ্য ও স্ক্যান কপি অনলাইনে সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া সেন্টার ফি মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাবে।

বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড আবেদনকারীদের সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘ফাইনাল সাবমিট’ করার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কারণ একবার আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়া হলে পরবর্তীতে কোনো তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।

সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনকারীরা ড্যাশবোর্ডে আবেদনের অগ্রগতি দেখতে পারবেন এবং এসএমএসের মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন।

এছাড়া সাক্ষাৎকার বা পরীক্ষার সময় ট্রেড লাইসেন্স, বিআইএন ও টিআইএন সনদ, সুপারভাইজার লাইসেন্স, ট্রেজারি চালানের মূল কপি এবং পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের রসিদসহ সব মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো স্থান থেকে সহজেই আবেদন করার সুযোগ পাবেন সেবাগ্রহীতারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্সে অনলাইন আবেদন শুরু, ১৬তম ব্যাচের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে অনলাইন আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে সরকারের বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড। এ লক্ষ্যে ১৬তম ব্যাচের বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্সের জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের কার্যালয়ের অধীন বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্স পেতে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কোনো ধরনের ম্যানুয়াল বা সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের মাধ্যমে হয়রানি কমানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আবেদনকারীদের প্রথমে অনলাইন পোর্টালে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি (OTP) যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা হবে। এরপর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো—

  • বৈধ ট্রেড লাইসেন্সের অনুলিপি
  • ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) সনদ
  • করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ
  • মালিক বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জাতীয় পরিচয়পত্র
  • লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈদ্যুতিক সুপারভাইজারের সম্মতিপত্র
  • প্রয়োজনীয় পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রমাণপত্র

আবেদনকারীদের ছবি, স্বাক্ষর এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। আবেদনপত্রে দেওয়া সব তথ্য সঠিক বলে ঘোষণা দিয়ে তা সংরক্ষণ ও জমা দিতে হবে।

লাইসেন্স ফি বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক অথবা ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর ট্রেজারি চালানের তথ্য ও স্ক্যান কপি অনলাইনে সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া সেন্টার ফি মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাবে।

বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ড আবেদনকারীদের সতর্ক করে জানিয়েছে, ‘ফাইনাল সাবমিট’ করার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কারণ একবার আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়া হলে পরবর্তীতে কোনো তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।

সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনকারীরা ড্যাশবোর্ডে আবেদনের অগ্রগতি দেখতে পারবেন এবং এসএমএসের মাধ্যমেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন।

এছাড়া সাক্ষাৎকার বা পরীক্ষার সময় ট্রেড লাইসেন্স, বিআইএন ও টিআইএন সনদ, সুপারভাইজার লাইসেন্স, ট্রেজারি চালানের মূল কপি এবং পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের রসিদসহ সব মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো স্থান থেকে সহজেই আবেদন করার সুযোগ পাবেন সেবাগ্রহীতারা।