ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নয়, কঠোর অবস্থানে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / 103

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে আর শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে না বলেও স্পষ্ট জানান।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারবেন।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষা খাত নানা কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে। বর্তমানে সরকার সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য কাজ করছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তদারকির বিষয়ে তিনি জানান, একটি নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ মে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। কিছু ভবনের অবস্থা এতটাই খারাপ যে সেগুলো নতুন করে নির্মাণ করা ছাড়া বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বলতে শুধু ভবন নির্মাণ নয়, শিক্ষাদান পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সমমানের শিক্ষাক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যা ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। এ কার্যক্রমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এই নাগরিক সংলাপের আয়োজন করে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নয়, কঠোর অবস্থানে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে আর শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে না বলেও স্পষ্ট জানান।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারবেন।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষা খাত নানা কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে। বর্তমানে সরকার সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য কাজ করছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তদারকির বিষয়ে তিনি জানান, একটি নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ মে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। কিছু ভবনের অবস্থা এতটাই খারাপ যে সেগুলো নতুন করে নির্মাণ করা ছাড়া বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বলতে শুধু ভবন নির্মাণ নয়, শিক্ষাদান পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সমমানের শিক্ষাক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যা ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। এ কার্যক্রমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এই নাগরিক সংলাপের আয়োজন করে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।