ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপে কমল স্বর্ণের দর, নজর ফেডের সুদের হার সিদ্ধান্তে লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, ২ নভেম্বরের মধ্যে জবাব চায় ফিফার ইউরোপীয় সংস্থা

নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 55

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা কবে পাবেন, তা এখন নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আর কোনো করণীয় নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। বিষয়টি নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব হাতে-কলমে করতে হওয়ায় তাঁদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন পেতে আরও সময় লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন স্কেলে বেতন-ভাতা পেতে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এ সময়সীমা আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়াতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিওভুক্ত জনবলও নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বিষয়টি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই; এটি অর্থ বিভাগের হাতে। অর্থ বিভাগ পৃথকভাবে গেজেট প্রকাশ করলে তখন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।

নতুন পে স্কেলের বকেয়া হিসাব করবেন যেভাবে

নতুন পে স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সম্ভাব্য বকেয়া পাওনা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ হিসাব সহজ করতে একটি এইচটিএমএল ক্যালকুলেটর ফরম তৈরি করা হয়েছে। এতে গ্রেড এবং দুটি মূল বেতনের অঙ্ক দিলে নতুন মূল বেতন, বিশেষ সুবিধা ও বাড়িভাড়ার সমন্বয় এবং তিন মাসের বকেয়ার বিবরণী পাওয়া যায়।

তবে ক্যালকুলেটরে দেখানো নতুন পে স্কেলের সব গ্রেডের বেতনধাপের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ কারণে হিসাবের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে ক্যালকুলেটরের নিচে থাকা ‘স্কেল টেবিল’ অংশের তথ্য এস.আর.ও. নং ৩৪৭ আইন/২০২৬-এর মূল গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতার হারও সংশ্লিষ্ট পে স্লিপ অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

ক্যালকুলেটরটি কোনো সরকারি বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থা নয়; এটি কেবল অনানুষ্ঠানিক হিসাব সহায়ক হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। বেতনের চূড়ান্ত হিসাব নির্ধারিত হবে আইবাস++ ব্যবস্থার মাধ্যমে।

ক্যালকুলেটর ফরম পূরণের নিয়ম

ক্যালকুলেটরে প্রথমে ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে নাম, পদবি এবং অফিস বা প্রতিষ্ঠানের নাম লিখতে হবে। এসব তথ্য ছাপা বিবরণীর শুরুতে থাকবে। তবে ঘরগুলো ফাঁকা রেখেও হিসাব করা সম্ভব।

গ্রেড নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বেতন স্কেল অনুযায়ী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে গ্রেডে কর্মরত ছিলেন, সেটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর পে স্লিপ দেখে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন দিতে হবে। তালিকায় নিজের বেতনের অঙ্ক না থাকলে ‘অন্য অঙ্ক লিখব’ অপশন নির্বাচন করে তা লিখতে হবে।

১ জুলাইয়ের মূল বেতন হিসেবে জুলাই মাসে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধিসহ পুরোনো স্কেলে যে মূল বেতন গ্রহণ করেছেন, সেটি দিতে হবে। বাড়িভাড়ার হার নির্ধারণের জন্য কর্মস্থল নির্বাচন করতে হবে। কর্মস্থল অনুযায়ী হার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হলেও পে স্লিপে উল্লেখ করা হারের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজনে তা সংশোধন করা যাবে।

প্রাথমিকভাবে বকেয়া হিসাবের জন্য জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাস নির্বাচন করা থাকবে। প্রয়োজনে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত হিসাব নির্ধারণ করা যাবে। ১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত চাকরির বয়স ছয় মাস পূর্ণ না হলে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির অপশন থেকে টিকচিহ্ন তুলে দিতে হবে।

ঐচ্ছিক তথ্য ও হিসাবের বিবরণী

পে স্লিপে উল্লেখ করা বাড়িভাড়া বা বিশেষ সুবিধার অঙ্ক ক্যালকুলেটরের হিসাবের সঙ্গে না মিললে ঐচ্ছিক ঘরে প্রকৃত অঙ্ক দেওয়া যাবে। একইভাবে আইবাস++ বা গেজেট থেকে নতুন মূল বেতন জানা থাকলে সেটিও ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সে ক্ষেত্রে ক্যালকুলেটর দেওয়া অঙ্কের ভিত্তিতেই হিসাব করবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবের বিবরণী তৈরি হবে। এতে নতুন মূল বেতন নির্ধারণের ধাপ এবং প্রথম ধাপে প্রাপ্য মূল বেতনের হিসাব দেখানো হবে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ এবং ১ থেকে ৯ নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ প্রথম ধাপে প্রাপ্য মূল বেতন হিসেবে দেখানো হবে।

মাসিক হিসাবের বিবরণীতে প্রাপ্য ও গৃহীত মূল বেতনের পার্থক্য, ৩০ জুনের মূল বেতনের ভিত্তিতে প্রাপ্য বাড়িভাড়া এবং গৃহীত মূল বেতনে তোলা বাড়িভাড়ার সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি বিলুপ্ত বিশেষ সুবিধার ১০ বা ১৫ শতাংশ বাদ দিয়ে হিসাব দেখানো হবে।

তবে ক্যালকুলেটরে পাওয়া ফলাফলকে চূড়ান্ত বেতন হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। নির্ভুল হিসাব নিশ্চিত করতে মূল গেজেট, সংশ্লিষ্ট পে স্লিপ এবং সরকারি বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থার তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে

আপডেট সময় : ০৪:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা কবে পাবেন, তা এখন নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আর কোনো করণীয় নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। বিষয়টি নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব হাতে-কলমে করতে হওয়ায় তাঁদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন পেতে আরও সময় লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন স্কেলে বেতন-ভাতা পেতে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এ সময়সীমা আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়াতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিওভুক্ত জনবলও নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বিষয়টি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই; এটি অর্থ বিভাগের হাতে। অর্থ বিভাগ পৃথকভাবে গেজেট প্রকাশ করলে তখন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।

নতুন পে স্কেলের বকেয়া হিসাব করবেন যেভাবে

নতুন পে স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সম্ভাব্য বকেয়া পাওনা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ হিসাব সহজ করতে একটি এইচটিএমএল ক্যালকুলেটর ফরম তৈরি করা হয়েছে। এতে গ্রেড এবং দুটি মূল বেতনের অঙ্ক দিলে নতুন মূল বেতন, বিশেষ সুবিধা ও বাড়িভাড়ার সমন্বয় এবং তিন মাসের বকেয়ার বিবরণী পাওয়া যায়।

তবে ক্যালকুলেটরে দেখানো নতুন পে স্কেলের সব গ্রেডের বেতনধাপের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ কারণে হিসাবের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে ক্যালকুলেটরের নিচে থাকা ‘স্কেল টেবিল’ অংশের তথ্য এস.আর.ও. নং ৩৪৭ আইন/২০২৬-এর মূল গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতার হারও সংশ্লিষ্ট পে স্লিপ অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

ক্যালকুলেটরটি কোনো সরকারি বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থা নয়; এটি কেবল অনানুষ্ঠানিক হিসাব সহায়ক হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। বেতনের চূড়ান্ত হিসাব নির্ধারিত হবে আইবাস++ ব্যবস্থার মাধ্যমে।

ক্যালকুলেটর ফরম পূরণের নিয়ম

ক্যালকুলেটরে প্রথমে ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে নাম, পদবি এবং অফিস বা প্রতিষ্ঠানের নাম লিখতে হবে। এসব তথ্য ছাপা বিবরণীর শুরুতে থাকবে। তবে ঘরগুলো ফাঁকা রেখেও হিসাব করা সম্ভব।

গ্রেড নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বেতন স্কেল অনুযায়ী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে গ্রেডে কর্মরত ছিলেন, সেটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর পে স্লিপ দেখে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন দিতে হবে। তালিকায় নিজের বেতনের অঙ্ক না থাকলে ‘অন্য অঙ্ক লিখব’ অপশন নির্বাচন করে তা লিখতে হবে।

১ জুলাইয়ের মূল বেতন হিসেবে জুলাই মাসে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধিসহ পুরোনো স্কেলে যে মূল বেতন গ্রহণ করেছেন, সেটি দিতে হবে। বাড়িভাড়ার হার নির্ধারণের জন্য কর্মস্থল নির্বাচন করতে হবে। কর্মস্থল অনুযায়ী হার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হলেও পে স্লিপে উল্লেখ করা হারের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজনে তা সংশোধন করা যাবে।

প্রাথমিকভাবে বকেয়া হিসাবের জন্য জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাস নির্বাচন করা থাকবে। প্রয়োজনে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত হিসাব নির্ধারণ করা যাবে। ১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত চাকরির বয়স ছয় মাস পূর্ণ না হলে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির অপশন থেকে টিকচিহ্ন তুলে দিতে হবে।

ঐচ্ছিক তথ্য ও হিসাবের বিবরণী

পে স্লিপে উল্লেখ করা বাড়িভাড়া বা বিশেষ সুবিধার অঙ্ক ক্যালকুলেটরের হিসাবের সঙ্গে না মিললে ঐচ্ছিক ঘরে প্রকৃত অঙ্ক দেওয়া যাবে। একইভাবে আইবাস++ বা গেজেট থেকে নতুন মূল বেতন জানা থাকলে সেটিও ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সে ক্ষেত্রে ক্যালকুলেটর দেওয়া অঙ্কের ভিত্তিতেই হিসাব করবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবের বিবরণী তৈরি হবে। এতে নতুন মূল বেতন নির্ধারণের ধাপ এবং প্রথম ধাপে প্রাপ্য মূল বেতনের হিসাব দেখানো হবে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ এবং ১ থেকে ৯ নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ প্রথম ধাপে প্রাপ্য মূল বেতন হিসেবে দেখানো হবে।

মাসিক হিসাবের বিবরণীতে প্রাপ্য ও গৃহীত মূল বেতনের পার্থক্য, ৩০ জুনের মূল বেতনের ভিত্তিতে প্রাপ্য বাড়িভাড়া এবং গৃহীত মূল বেতনে তোলা বাড়িভাড়ার সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি বিলুপ্ত বিশেষ সুবিধার ১০ বা ১৫ শতাংশ বাদ দিয়ে হিসাব দেখানো হবে।

তবে ক্যালকুলেটরে পাওয়া ফলাফলকে চূড়ান্ত বেতন হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। নির্ভুল হিসাব নিশ্চিত করতে মূল গেজেট, সংশ্লিষ্ট পে স্লিপ এবং সরকারি বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থার তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।