ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রভাব-প্রতিপত্তি না দেখে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দুদককে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ প্রবাসীদের পাসপোর্ট-এনআইডি সেবা আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ পদ্মায় দ্রুত বাড়ছে পানি, আগামী ১–২ দিনে চর ও নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা আশুলিয়ায় দম্পতি হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তির দাবি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থায় গতি বেড়েছে, প্রতিদিন লেনদেন ১২০ কোটি টাকা কিংদাওয়ে কার্গো জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০ ৪৭ বছর বয়সে ইমরান তাহিরের রেকর্ড, ১৭ রানে নিলেন ৫ উইকেট ইবাদত ও পারিবারিক আয়োজনে পপির জন্মদিন, বাবাকে মনে করে আবেগাপ্লুত অভিনেত্রী বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২ পদে নিয়োগ, আবেদন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের ১১ হাজার ৪৯৫ পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 12

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এসব শূন্যপদে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের বিপরীতে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। এর ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালের একটি সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি এক হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক থাকা প্রয়োজন। এ মানদণ্ড অনুসারে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে চিকিৎসকের সামগ্রিক সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণ এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমেও সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকারের চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের ১১ হাজার ৪৯৫ পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এসব শূন্যপদে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের বিপরীতে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। এর ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালের একটি সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি এক হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক থাকা প্রয়োজন। এ মানদণ্ড অনুসারে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে চিকিৎসকের সামগ্রিক সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণ এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমেও সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকারের চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।