ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা, উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের ইউনিটে মিলবে ১০ টাকা ৫০ পয়সা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 129

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজারদর এবং বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন দরপত্রে পাওয়া মূল্য বিবেচনায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ প্রণোদনার আওতায় এ ব্যয়ের সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোনো গ্রাহক নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে পারলে সাশ্রয় হওয়া অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যারা ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন এবং নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রণোদনাসহ বিদ্যুতের মূল্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাব অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়া হবে। কোনোভাবেই নগদ অর্থ প্রদান করা হবে না।

তবে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর স্থাপন করা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এই বিশেষ প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার, মিটারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।

গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করেছে। সেখান থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় থেকেও এ বিষয়ে সহায়তা দেওয়া হবে।

জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই এই বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা, উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের ইউনিটে মিলবে ১০ টাকা ৫০ পয়সা

আপডেট সময় : ০৮:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজারদর এবং বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন দরপত্রে পাওয়া মূল্য বিবেচনায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ প্রণোদনার আওতায় এ ব্যয়ের সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোনো গ্রাহক নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে পারলে সাশ্রয় হওয়া অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যারা ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করবেন এবং নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রণোদনাসহ বিদ্যুতের মূল্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাব অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়া হবে। কোনোভাবেই নগদ অর্থ প্রদান করা হবে না।

তবে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির পর স্থাপন করা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এই বিশেষ প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার, মিটারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।

গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করেছে। সেখান থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় থেকেও এ বিষয়ে সহায়তা দেওয়া হবে।

জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই এই বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর হয়েছে।