‘জুলাই ১৭ বছরের আন্দোলনের পরিণতি’—রিজভী
- আপডেট সময় : ০৫:১৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
- / 5

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘ ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি। তিনি বলেন, অন্যায়-অবিচার দীর্ঘদিন মেনে নেয় না বাংলাদেশের মানুষ; একপর্যায়ে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউট্যাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছিল না। এতে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। তার ভাষায়, এটি ছিল সামগ্রিকভাবে জনগণের একটি বড় উত্থান, যার পরিণতিই জুলাই গণঅভ্যুত্থান।
শেখ হাসিনার শাসনামলকে ‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের সময়’ হিসেবে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই শাসনের পরিণতি ঘটেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, যারা এখন শেখ হাসিনা সরকারের সময়কে ভালো হিসেবে তুলে ধরছেন, তাদের বক্তব্যের সঙ্গে জুলাইয়ের বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে রিজভী বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা ছিল। আন্দোলনের সময় তারেক রহমান লন্ডন থেকে তাকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, ‘বাংলা ব্লকেড’, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘মার্চ ফর জাস্টিস’সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিএনপি সমর্থন জানিয়েছিল। দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ইউট্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

























