জাতিসংঘে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
- আপডেট সময় : ০২:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
- / 10

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মারক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এই আন্দোলন জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যের প্রতীক।
রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) কৌশলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এ কৌশলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক পরিসরে পুনরায় তুলে ধরা হয়।
























