ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / 15

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইকোসকের সভাপতি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং সহ-সভাপতি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামারের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের এ অবস্থান তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ নির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পুরো সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ উত্তরণ বিলম্বিত করার জন্য নয়; বরং কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর্থিক খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এলডিসি থেকে আরও মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, এলজিইএবির সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই উত্তরণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইকোসকের সভাপতি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং সহ-সভাপতি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামারের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের এ অবস্থান তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ নির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পুরো সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ উত্তরণ বিলম্বিত করার জন্য নয়; বরং কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর্থিক খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এলডিসি থেকে আরও মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, এলজিইএবির সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই উত্তরণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।