ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আইনি পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করতে পারে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তারেক রহমান চার মাসে রেমিট্যান্সে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, দেশে এলো ১১৬৮ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবার ডাক পেলেন রোনালদো-পুত্র সারা আলী খানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙার কারণ জানালেন ওরি মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী চারদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, জানাল পেট্রোবাংলা

অক্টোবর থেকে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভায় ভোটের প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 70

আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

রাজধানীর নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব পর্যায়ের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে অক্টোবরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ উপজেলা পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। তাই এ দুটি নির্বাচন শেষ করে পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনের সময় নির্ধারণে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতিসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এসব বিষয় পর্যালোচনার পর কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।

সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কমিশনের কাছে কোনো চিঠি আসেনি। তবে কমিশন নিজস্ব উদ্যোগে সব ধরনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমন্বয় শুরু হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আচরণবিধির খসড়া ইতোমধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।

সংশোধিত বিধিমালায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করা, পোস্টাল ব্যালট না রাখা এবং জাতীয় নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখা।

বর্তমানে সাড়ে চার হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার সদস্যদের দায়িত্বে নির্বাচন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক ধাপে ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতিটি ধাপের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী ধাপের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে রহমানেল মাছউদ বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম নির্বাচনটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখতে কমিশন কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও ভোটারদের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলোতে তুলনামূলক বেশি সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিশন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি সংসদে জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অক্টোবর থেকে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভায় ভোটের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

রাজধানীর নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব পর্যায়ের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে অক্টোবরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ উপজেলা পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। তাই এ দুটি নির্বাচন শেষ করে পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনের সময় নির্ধারণে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতিসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এসব বিষয় পর্যালোচনার পর কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।

সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কমিশনের কাছে কোনো চিঠি আসেনি। তবে কমিশন নিজস্ব উদ্যোগে সব ধরনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমন্বয় শুরু হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আচরণবিধির খসড়া ইতোমধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।

সংশোধিত বিধিমালায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করা, পোস্টাল ব্যালট না রাখা এবং জাতীয় নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখা।

বর্তমানে সাড়ে চার হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার সদস্যদের দায়িত্বে নির্বাচন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক ধাপে ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতিটি ধাপের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী ধাপের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে রহমানেল মাছউদ বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম নির্বাচনটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখতে কমিশন কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও ভোটারদের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলোতে তুলনামূলক বেশি সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিশন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি সংসদে জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।