ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 11

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কমেছে বৃষ্টির তীব্রতা, তবু কাটেনি বন্যার দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে এখনো মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অনেক এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ এর আগের কয়েক দিন ধরে জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, মৌসুমি বায়ু এখনো সক্রিয় রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সে তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম।

তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকা এখনো জলাবদ্ধ রয়েছে। আবার কিছু স্থানে নতুন করে পানি বেড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বর্তমানে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।