ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

তীব্র গরমে কেন প্রতিদিন শসা খাবেন? জানালেন পুষ্টিবিদরা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 21

তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখা এবং পানিশূন্যতা এড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ফল ও সবজির মধ্যে শসা অন্যতম উপকারী, যা শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। ফলে এটি শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে, ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করতে এবং প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

শসায় থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড, ট্যানিন ও পলিফেনলের মতো উপাদানে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী গুণ। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে।

ত্বকের যত্নেও শসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা পটাশিয়াম ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শসার শীতলকারী উপাদান রোদে পোড়া ভাব, ফোলাভাব ও ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে কার্যকর।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আগ্রহীদের জন্যও শসা একটি আদর্শ খাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় মাত্র ১৬ ক্যালরি থাকে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং হজমে সহায়তা করে।

প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে শসা শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে, যা কিডনির কার্যকারিতা সচল রাখতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন বি, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের ক্লান্তি কমিয়ে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্যও শসা উপকারী। শসা চিবিয়ে খেলে মুখে লালা উৎপাদন বাড়ে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ও খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র গরমে কেন প্রতিদিন শসা খাবেন? জানালেন পুষ্টিবিদরা

আপডেট সময় : ০৬:২০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখা এবং পানিশূন্যতা এড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ফল ও সবজির মধ্যে শসা অন্যতম উপকারী, যা শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। ফলে এটি শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে, ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করতে এবং প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

শসায় থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড, ট্যানিন ও পলিফেনলের মতো উপাদানে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী গুণ। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে।

ত্বকের যত্নেও শসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা পটাশিয়াম ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শসার শীতলকারী উপাদান রোদে পোড়া ভাব, ফোলাভাব ও ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে কার্যকর।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আগ্রহীদের জন্যও শসা একটি আদর্শ খাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় মাত্র ১৬ ক্যালরি থাকে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং হজমে সহায়তা করে।

প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে শসা শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে, যা কিডনির কার্যকারিতা সচল রাখতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন বি, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের ক্লান্তি কমিয়ে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্যও শসা উপকারী। শসা চিবিয়ে খেলে মুখে লালা উৎপাদন বাড়ে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ও খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।