সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের
- আপডেট সময় : ০৫:১১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
- / 5

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সবসময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অতীতেও সাংবাদিকদের সঙ্গে ছিলেন, বর্তমানে আছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকবেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১৬ জুনের কালো দিবস শুধু স্মরণ করলেই হবে না, ভবিষ্যতে যেন দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে এমন পরিস্থিতি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার ফলে বর্তমানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকারও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদপত্র মালিকদের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মালিকানাধীন কিছু গণমাধ্যমে এখনও সাংবাদিকরা নানা ধরনের নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক সাংবাদিক এখনো বেকার রয়েছেন এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
তিনি বন্ধ হয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমগুলো পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়ে বলেন, দৈনিক বাংলা, টাইমস কিংবা বিচিত্রার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা গেলে সাংবাদিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে একাধিকবার বক্তব্য দিয়েছেন এবং গণমাধ্যমে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর তৎপরতার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, সমাজকে বিভ্রান্ত করার যেকোনো অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।
বিএনপিকে একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দলটি ধর্ম, বর্ণ বা মতের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তিনি দাবি করেন, বিএনপির শাসনামলে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম ছিল এবং দলটি সবসময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়েছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাদের গনি চৌধুরী এবং সভাপতিত্ব করেন মো. শহিদুল ইসলাম।


























