সারাদেশে ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে সরকার, সুবিধা পাবেন ৪০ হাজার কৃষক
- আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
- / 3

কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব কোল্ড স্টোরেজ চালু হলে প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ শীর্ষক নীতিনির্ধারণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। তাই জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষি খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের সুবিধা বাড়াতে সরকার বাস্তবমুখী নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, সবজি ও অন্যান্য পচনশীল কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে কৃষকরা প্রায়ই ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। এ সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পর্যায়ে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে, যা কৃষকদের জন্য সহজলভ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রী জানান, ১৫ থেকে ২০ জন কৃষককে নিয়ে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় এসব কোল্ড স্টোরেজ পরিচালিত হবে এবং সৌরশক্তির মাধ্যমে এগুলো পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক প্রকল্পে এ উদ্যোগ সফল হয়েছে।
কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজার চাহিদার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে সরকার ডাটাবেসভিত্তিক কৃষি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বলেও জানান তিনি। এর ফলে কৃষকরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারবেন এবং ভোক্তারাও সারা বছর স্থিতিশীল দামে কৃষিপণ্য পাবেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার পেঁয়াজ, পেঁয়াজবীজ ও আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়া মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, সৌরশক্তিনির্ভর সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং কৃষিখাতে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন তিনি।























