ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক, ঘোষণা বিআরটিএ সারাদেশে ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করবে সরকার, সুবিধা পাবেন ৪০ হাজার কৃষক হাসপাতাল বন্ধ, মেডিকেল কলেজ নয়: শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে প্র্যাকটিস করতে পারবে—স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশ, লাইসেন্স বাতিলের পর নতুন সিদ্ধান্ত দুদকের অনুসন্ধানের পর দেশ ছাড়েন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দুবাইয়ে গ্রেফতার ঘিরে নতুন আলোচনা দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন, ১৮ জুন থেকে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন নরসিংদীতে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিল সরকার শিক্ষা বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তিন বিষয়ে: ‘শিক্ষা, শিক্ষা ও শিক্ষা’—শিক্ষামন্ত্রী মণিরামপুরে জামায়াতের তিন নেতা পদ স্থগিত, মাটি বাণিজ্য ও সংঘর্ষের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংককে ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ সহায়তা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

রপ্তানি সম্প্রসারণে আরও কঠোর প্রতিযোগিতার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / 6
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীতে ‘রোডম্যাপ টু ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্স’র উদ্বোধনী অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা, জলবায়ু ঝুঁকি ও বিনিয়োগ প্রবাহে পরিবর্তনের মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে এবং সম্প্রসারণে আরও কঠোর প্রতিযোগিতায় নামতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখা ও বাড়াতে আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরালোভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবর্তিত চাহিদা ও প্রতিযোগিতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তিনি অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার ব্যবস্থা এখন উৎপাদন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে, যার ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনেক উন্নত দেশ যেখানে কম সুদে ঋণ পায়, সেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কয়েকগুণ বেশি সুদ দিতে হচ্ছে। এতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি ও বৈদেশিক ঋণের চাপ এখন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় দেশের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্য দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বড় সুযোগ পেতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও কার্যকর করা, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারকে বৈচিত্র্যময় করা। এজন্য দূতাবাসগুলোকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নীতিগত স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রপ্তানি সম্প্রসারণে আরও কঠোর প্রতিযোগিতার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৬:২১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীতে ‘রোডম্যাপ টু ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্স’র উদ্বোধনী অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা, জলবায়ু ঝুঁকি ও বিনিয়োগ প্রবাহে পরিবর্তনের মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে এবং সম্প্রসারণে আরও কঠোর প্রতিযোগিতায় নামতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখা ও বাড়াতে আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরালোভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবর্তিত চাহিদা ও প্রতিযোগিতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তিনি অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার ব্যবস্থা এখন উৎপাদন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে, যার ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনেক উন্নত দেশ যেখানে কম সুদে ঋণ পায়, সেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কয়েকগুণ বেশি সুদ দিতে হচ্ছে। এতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি ও বৈদেশিক ঋণের চাপ এখন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় দেশের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন প্রকল্পেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্য দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বড় সুযোগ পেতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও কার্যকর করা, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারকে বৈচিত্র্যময় করা। এজন্য দূতাবাসগুলোকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নীতিগত স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।