কুরবানির চামড়া পাচারের শঙ্কা নেই: ট্যানারিতে রেকর্ড পরিমাণ চামড়া পৌঁছেছে
- আপডেট সময় : ০২:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
- / 137

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এবারের ঈদুল আজহায় কুরবানির পশুর চামড়া পাচার হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রতিটি স্থানে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় সাভারের আমিনবাজার এলাকায় কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি সংখ্যক চামড়া সংরক্ষণ ও ট্যানারিতে পাঠানো সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থাপনাকে স্থায়ী অবকাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কাঁচা বা ‘ওয়েট ব্লু’ চামড়া সরাসরি রপ্তানি করে তুলনামূলক কম আয় হয়। এর পরিবর্তে চামড়া দিয়ে জুতা, বেল্টসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করলে বেশি মূল্য সংযোজন সম্ভব হয়। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ কারণেই সরকার চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেশের সব কুরবানির চামড়া সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিকে শুক্রবার (২৯ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে, সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর ট্যানারি কারখানাগুলোতে রেকর্ডসংখ্যক কাঁচা চামড়া প্রবেশ করেছে। রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়াবোঝাই ট্রাক একের পর এক শিল্পনগরীতে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
শিল্পনগরীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাঈয়ান জানান, শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত এক হাজার ৫১৯টি ট্রাকে করে মোট ৪ লাখ ৯১ হাজার ৯৫০টি চামড়া শিল্পনগরীতে এসেছে।
এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া রয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৯টি এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়া রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার ৯০টি।
তিনি বলেন, রক্তযুক্ত কাঁচা চামড়া আসা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন মূলত লবণযুক্ত চামড়া আসছে। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এবার চামড়া সংগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে।
























